প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার মার্কিন সফর থেকে ফিরে আসার পরই দিল্লির নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর, মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য অনেকের নাম নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়ে উঠেছে। নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে ১৯ অথবা ২০ ফেব্রুয়ারি। এর আগে, ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি বিজেপি আইনসভা দলের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দলের মধ্যে ধারাবাহিক বৈঠক চলছে, এবং সমস্ত বিধায়ক সিদ্ধান্তটি প্রধানমন্ত্রী মোদীর উপর ছেড়ে দিয়েছেন।
বিজেপিতে দফায় দফায় বৈঠক চলছে
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে বিজেপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে ক্রমাগত চিন্তাভাবনা চলছে। শুক্রবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংগঠন মন্ত্রী বিএল সন্তোষ, দিল্লি বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব, সাংসদ হর্ষ মালহোত্রা এবং অতুল গর্গ সহ অনেক নেতা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিয়ে আলোচনা হয়। একই সাথে, শনিবার দলের সভাপতি জেপি নাড্ডার সভাপতিত্বে জাতীয় সাধারণ সম্পাদকদের একটি বৈঠকের প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে বিধানসভা নির্বাচনের কর্মক্ষমতা পর্যালোচনা করার পাশাপাশি, নতুন মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কেও চিন্তাভাবনা করা হবে।
১৭-১৮ ফেব্রুয়ারি আইনসভা দলের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা
দিল্লির নতুন মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনের জন্য ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি বিজেপি আইনসভা দলের একটি সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে। এতে, বিধায়কদের মতামত নেওয়ার পর, যেকোনো একটি নামের উপর ঐকমত্য তৈরি করা হবে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদীর চূড়ান্ত অনুমোদন নেওয়া হবে। এর পরে, মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্ভবত ১৯ বা ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে এই নামটিই সবচেয়ে এগিয়ে
বিজেপির ভূমিধস জয়ের পর, মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য অনেক বড় নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। নয়াদিল্লি আসন থেকে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে পরাজিত করা প্রবেশ ভার্মাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়াও, দিল্লি বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা বিজেন্দ্র গুপ্ত এবং শালিমার বাগের বিধায়ক রেখা গুপ্তাও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন।
এছাড়াও, গ্রেটার কৈলাশ আসন থেকে সৌরভ ভরদ্বাজকে পরাজিত করা শিখা রায়, মুস্তাফাবাদ থেকে জয়ী ছয়বারের বিধায়ক মোহন সিং বিষ্ট এবং কপিল মিশ্রের নামও আলোচনায় রয়েছে। এখন সকলের নজর প্রধানমন্ত্রী মোদীর সিদ্ধান্তের দিকে, যার কারণে দিল্লি শীঘ্রই একজন নতুন মুখ্যমন্ত্রী পেতে পারে।
No comments:
Post a Comment