ট্যাটু করলে এইডস, ক্যান্সার এবং অন্যান্য গুরুতর রোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই খবর ট্যাটু প্রেমীদের মনে আতঙ্ক তৈরি করছে। তবে বিশেষজ্ঞদের ভিন্ন মতামত রয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন যে ট্যাটু করানোর ফলে কোনও রোগের সরাসরি ঝুঁকি নেই, তবে এর জন্য স্বাস্থ্যবিধির যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি ট্যাটু করার জন্য ব্যবহৃত সূঁচ এবং অন্যান্য সরঞ্জাম সঠিকভাবে স্যানিটাইজ না করা হয় অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে ব্যবহৃত সূঁচ পুনরায় ব্যবহার করা হয়, তাহলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে এইডস এবং হেপাটাইটিসের মতো রোগের ঝুঁকি থাকতে পারে। অতএব, ট্যাটু করার আগে, ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলি একেবারে পরিষ্কার এবং নতুন কিনা তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। একই সাথে, ডাক্তাররা ক্যান্সার সম্পর্কিত দাবিগুলি সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে ক্যান্সার একটি জটিল রোগ, যার সাথে ট্যাটুর সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই। তবে, যদি ট্যাটুর কালিতে ক্ষতিকারক রাসায়নিক থাকে, তাহলে এটি ত্বকে অ্যালার্জি বা অন্যান্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই ট্যাটু করার সময় সর্বদা নিরাপদ এবং প্রত্যয়িত কালি ব্যবহার করা উচিত। ট্যাটুর সাথে সম্পর্কিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ক্যারিয়ার। অনেক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি চাকরিতে, শরীরে ট্যাটু করা উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয় না। সেনাবাহিনী এবং পুলিশের মতো চাকরিতে নিয়োগের জন্য আবেদন করার সময়, প্রার্থীদের ট্যাটু না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এমনকি কর্পোরেট সেক্টরেও, অনেক কোম্পানি এমন কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দেয় না যাদের শরীরে বড় ট্যাটু আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে ট্যাটু করার আগে সঠিক গবেষণা করা উচিত এবং শুধুমাত্র একজন অভিজ্ঞ পেশাদার দ্বারা এটি করা উচিত। এছাড়াও, ট্যাটু করার পর সঠিক যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি স্বাস্থ্যবিধি এবং সুরক্ষার সমস্ত মানদণ্ড মেনে চলা হয়, তাহলে ট্যাটু থেকে কোনও গুরুতর রোগের ঝুঁকি থাকে না। আমরা আপনাকে বলি যে তরুণদের মধ্যে ট্যাটু করার উন্মাদনা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই নিজেকে কুল এবং ফ্যাশনেবল দেখানোর জন্য ট্যাটু করাচ্ছেন, কিন্তু এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে ইন্টারনেটে অনেক ধরণের প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে।
No comments:
Post a Comment